উদ্ভিদ কোষে কোনটি শ্বসনের প্রধান অঙ্গ?
-
ক
নিউক্লিয়াস
-
খ
মাইটোকন্ড্রিয়া
-
গ
প্লাস্টিড
-
ঘ
সাইটোপ্লাজম
মাইটোকন্ড্রিয়ার কাজ :
(i) কোষের যাবতীয় কাজের জন্য শক্তি উৎপাদন ও নিয়ন্ত্রণ করা
(ii) শ্বসনের জন্য প্রয়োজনীয় এনজাইম, কো-এনজাইম প্রভৃতি ধারণ করা
(iii) শ্বসনের বিভিন্ন পর্যায় যেমন - ক্রেবস চক্র, ইলেক্ট্রন ট্রান্সপোর্ট, অক্সিডেটিভ ফসফোরাইলেশন সম্পন্ন করা
(iv) নিজস্ব DNA, RNA উৎপন্ন করা এবং বংশগতিতে ভূমিকা রাখা
(v) প্রোটিন সংশ্লেষ ও স্নেহ বিপাকে সাহায্য করা
(vi) এরা Ca, K প্রভৃতি পদার্থের সক্রিয় পরিবহনে সক্ষম
(vii) শুক্রাণু ও ডিম্বাণু গঠনে অংশগ্রহণ করা
(viii) কোষের বিভিন্ন অংশে ক্যালসিয়াম আয়নের সঠিক ঘনত্ব রক্ষা করা
(ix) কোষের পূর্বনির্ধারিত মৃত্যু (Apoptosis) প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা
(x) রক্তকণিকা ও হরমোন উৎপাদনে সহায়তা করা
(xi) এতে বিভিন্ন ধরনের ক্যাটায়ন, যেমন - ক্যালসিয়াম আয়ন, সালফার আয়ন, আয়রন আয়ন, ম্যাঙ্গানিজ আয়ন ইত্যাদি সঞ্চিত রাখা
উদ্ভিদ কোষে শ্বসনের প্রধান অঙ্গ মাইটোকন্ড্রিয়া। এতে শ্বসন এর ক্রেবস চক্র ধাপ সংঘটিত হয়।
উদ্ভিদ কোষে শ্বসনের প্রধান অঙ্গ মাইটোকন্ড্রিয়া।
• মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের Power house বলা হয়।
• সকল সজীব কোষে থাকে।
• ক্রিস্টি বিদ্যমান, বর্ণবিহীন।
• শক্তি উৎপাদন করা প্রধান কাজ।
মাইটোকন্ড্রিয়ার গঠনঃ
ভৌত গঠন (Physical Structure) :
১. আবরণী : প্রতিটি মাইটোকন্ড্রিয়ন লিপোপ্রোটিন বাইলেয়ারের দুটি মেমব্রেন নিয়ে গঠিত।
২. প্রকোষ্ঠ : দুই মেমব্রেনের মাঝখানের ফাঁকা স্থানকে বলা হয় বহিস্থ কক্ষ (প্রকোষ্ঠ) বা আন্তঃমেমব্রেন ফাঁক এবং ভেতরের মেমব্রেন দিয়ে আবদ্ধ কেন্দ্রীয় অঞ্চলকে বলা হয় অভ্যন্তরীণ কক্ষ। অভ্যন্তরীণ কক্ষ জেলির ন্যায় ঘন সমসত্ত্ব , পদার্থ বা ধাত্র দ্বারা পূর্ণ থাকে। এই ধাত্র পদার্থকে ম্যাট্রিক্স বলে।
৩. ক্রিস্টি (Cristae) বা প্রবর্ধক : বাইরের মেমব্রেন সোজা কিন্তু ভেতরের মেমব্রেনটি নির্দিষ্ট ব্যবধানে ভেতরের দিকে ভাঁজ হয়ে আঙ্গুলের মতো প্রবর্ধক সৃষ্টি করে। প্রবর্ধিত অংশকে ক্রিস্টি (cristae) বলে।
৪. অক্সিসোম (Oxisome): মাইটোকন্ড্রিয়ার (Mitochondria) অন্তঃআবরণীর অন্তর্গাত্রে অতি সূক্ষ্ম অসংখ্য দানা লেগে থাকে। এদের অক্সিসোম বলে।
৫. ATP-Synthases ও ETC : ক্রিস্টিতে স্থানে স্থানে ATP-Synthases নামক গোলাকার বস্তু আছে। এতে ATP সংশ্লেষিত হয়।
৬. বৃত্তাকার DNA ও রাইবোসোম : মাইটোকন্ড্রিয়ার (Mitochondria) নিজস্ব বৃত্তাকার DNA এবং রাইবোসোম (70 S) রয়েছে।
রাসায়নিক গঠন (Chemical Composition) :
মাইটোকন্ড্রিয়ার (Mitochondria) শুষ্ক ওজনের প্রায় ৬৫% প্রোটিন, ২৯% গ্লিসারাইডসমূহ, ৪% লেসিথিন ও সেফালিন এবং ২% কোলেস্টেরল। লিপিডের মধ্যে ৯০% হচ্ছে ফসফোলিপিড, বাকি ১০% ফ্যাটি অ্যাসিড, ক্যারোটিনয়েড, ভিটামিন E এবং কিছু অজৈব পদার্থ।
মাইটোকন্ড্রিয়ার ঝিল্লি লিপো-প্রোটিন সমৃদ্ধ। মাইটোকন্ড্রিয়াতে প্রায় ১০০ প্রকারের এনজাইম ও কো-এনজাইম রয়েছে। এছাড়া এতে ০.৫% RNA ও সামান্য DNA থাকে। মাইটোকন্ড্রিয়ার অন্তঃঝিল্লিতে কার্ডিওলিপিন নামক বিশেষ ফসফোলিপিড থাকে।
মাইটোকন্ড্রিয়া (Mitochondria) র কাজ :
*কোষের যাবতীয় কাজের জন্য শক্তি উৎপাদন ও নিয়ন্ত্রণ করা।
*শ্বসনের জন্য প্রয়োজনীয় এনজাইম, কো-এনজাইম প্রভৃতি ধারণ করা।
*নিজস্ব DNA, RNA উৎপন্ন করা এবং বংশগতিতে ভূমিকা রাখা।
*প্রোটিন সংশ্লেষ ও স্নেহ বিপাকে সাহায্য করা।
*শ্বসনের বিভিন্ন পর্যায় যেমন- ক্রেবস চক্র, ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট, অক্সিডেটিভ ফসফোরাইলেশন সম্পন্ন করা।
*এরা Ca, K প্রভৃতি পদার্থের সক্রিয় পরিবহনে সক্ষম।
শুক্রাণু ও ডিম্বাণু গঠনে অংশগ্রহণ করা।
*কোষের বিভিন্ন অংশে ক্যালসিয়াম আয়নের সঠিক ঘনত্ব রক্ষা করা।
*এতে বিভিন্ন ধরনের ক্যাটায়ন, যেমন-
Ca 2+,S 2+ ,Fe 2+ ,Mn 2+
ইত্যাদি সঞ্চিত রাখা।
*কোষের পূর্বনির্ধারিত মৃত্যু (apoptosis) প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা।
*রক্ত কণিকা ও হরমোন উৎপাদনে সহায়তা করা।
Related Question
View All-
ক
রাইবোসোম
-
খ
মাইটোকন্ড্রিয়া
-
গ
লাইসোসোম
-
ঘ
গলগি বডি
-
ক
অক্সালো অ্যাসিটিক অ্যাসিড
-
খ
সাইট্রিক অ্যাসিড
-
গ
আলফা কিটোটোরিক অ্যাসিড
-
ঘ
সাকসিনিক অ্যাসিড
-
ক
নিউক্লিয়াস
-
খ
রাইবোজোম
-
গ
লাইসোজোম
-
ঘ
মাইটোকন্ড্রিয়া
-
ক
i ও ii
-
খ
i ও iii
-
গ
ii ও iii
-
ঘ
i, ii ও iii
-
ক
i ও ii
-
খ
i ও iii
-
গ
ii ও iii
-
ঘ
i, ii ও iii
-
ক
i ওii
-
খ
i ও iii
-
গ
ii ও iii
-
ঘ
i,ii ও iii
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন